পুলিশের ফাইনাল রিপোর্টের (FRT) বিরুদ্ধে নারাজি পিটিশন: ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পুনঃতদন্ত ও নারাজি ড্রাফটিং গাইড

বাংলাদেশের ফৌজদারি বিচার প্রশাসনে, ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধি (Code of Criminal Procedure, 1898 (CrPC))-এর ১৭৩ ধারার অধীনে দাখিলকৃত পুলিশ প্রতিবেদন একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাঁক। যখন কোনো তদন্তকারী কর্মকর্তা (Investigating Officer - IO) ১৫৪ ধারার অধীনে দায়েরকৃত কোনো এজাহারের (First Information Report - FIR)…

ID: 1405 2,245 words

উৎস ও যাচাইয়ের তথ্য

এই গাইডের বিশ্বাসযোগ্যতার সংকেত

এগুলো এই কনটেন্ট রেকর্ডের মেটাডেটা। এগুলো কোনো নির্দিষ্ট আইনি ফলাফল বা বর্তমান আইনের নিশ্চয়তা নয়।

স্ট্যাটিক প্রকাশনার জন্য প্রস্তুত
আইনি উৎসের রেফারেন্স
এই রেকর্ডে কোনো উৎস-রেফারেন্স দেওয়া নেই।
রেকর্ডের অবস্থা

সর্বশেষ পর্যালোচনার তারিখ রেকর্ড করা নেই

ইংরেজি-বাংলা জোড়া যাচাই করা

রেকর্ড আইডি: 1405

গুরুত্বপূর্ণ: এটি সাধারণ তথ্য, আইনি পরামর্শ নয়। আপনার পরিস্থিতির জন্য যোগ্য আইনজীবীর পরামর্শ নিন এবং সরকারি প্রকাশনা যাচাই করুন।

দ্রুত ধারণা

নির্বাহী সারসংক্ষেপ

বাংলাদেশের ফৌজদারি বিচার প্রশাসনে, ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধি (Code of Criminal Procedure, 1898 (CrPC))-এর ১৭৩ ধারার অধীনে দাখিলকৃত পুলিশ প্রতিবেদন একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাঁক। যখন কোনো তদন্তকারী কর্মকর্তা (Investigating Officer - IO) ১৫৪ ধারার অধীনে দায়েরকৃত কোনো এজাহারের (First Information Report - FIR)…

বিষয় corporate rjsc
পড়ার সময় প্রায় 11 মিনিট
সর্বশেষ তারিখ রিভিউ অপেক্ষমাণ
English Edition Looking for the authoritative English legal edition?
Read English Guide →

১. নারাজি পিটিশনের তাত্ত্বিক ও আইনগত ভিত্তি

বাংলাদেশের ফৌজদারি বিচার প্রশাসনে, ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধি (Code of Criminal Procedure, 1898 (CrPC))-এর ১৭৩ ধারার অধীনে দাখিলকৃত পুলিশ প্রতিবেদন একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাঁক। যখন কোনো তদন্তকারী কর্মকর্তা (Investigating Officer - IO) ১৫৪ ধারার অধীনে দায়েরকৃত কোনো এজাহারের (First Information Report - FIR) তদন্ত সমাপ্ত করেন, তখন উক্ত কর্মকর্তাকে হয় অভিযুক্তের বিচার সুপারিশ করে একটি চার্জশিট (Charge Sheet - CS) অথবা অভিযুক্তকে দায়মুক্তি দেওয়ার সুপারিশ করে একটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন (Final Report) দাখিল করতে হয়। চূড়ান্ত প্রতিবেদনটি সাধারণত চূড়ান্ত প্রতিবেদন সত্য (Final Report True - FRT), চূড়ান্ত প্রতিবেদন তথ্যের ভুল (Final Report Mistake of Fact - FRMF), চূড়ান্ত প্রতিবেদন আইনের ভুল (Final Report Mistake of Law - FRML), অথবা চূড়ান্ত প্রতিবেদন অ-আমলযোগ্য (Final Report Non-Cognizable - FRN) হিসেবে প্রকাশিত হয়। অপরাধমূলক প্রমাণের উপস্থিতি থাকা সত্ত্বেও যখন কোনো তদন্তকারী কর্মকর্তা—দলীয় পক্ষপাতিত্ব, দুর্নীতি, প্রশাসনিক অযোগ্যতা বা অনুচিত প্রভাবের কারণে—গুরুতর ফৌজদারি অপরাধের অপরাধীদের অব্যাহতি দিয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন, তখন সেখানে প্রায়শই ন্যায়বিচারের পরিপন্থী ঘটনা ঘটে।

সম্পূর্ণ পুলিশি স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতাকে ভুক্তভোগীর অধিকারের ওপর প্রাধান্য বিস্তার করা থেকে রোধ করতে, বাংলাদেশের ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থায় নারাজি পিটিশন (আক্ষরিক অর্থে "আপত্তি" বা "প্রতিবাদ পিটিশন") নামক পদ্ধতিগত প্রক্রিয়া অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নারাজি পিটিশন হলো পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী বা বাদীর দাখিলকৃত অনাস্থার একটি সুস্পষ্ট ঘোষণা। এটি অডি অলটারাম পার্টেম (audi alteram partem - অপর পক্ষকেও শুনুন) নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত একটি বিচারিক সংশোধনমূলক ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করে, যা নিশ্চিত করে যে একজন সংক্ষুব্ধ ভুক্তভোগী যেন প্রশ্নবিদ্ধ পুলিশি তদন্তের বিরুদ্ধে প্রতিকারহীন না থাকেন।

নারাজি পিটিশন নিয়ন্ত্রণকারী আইনশাস্ত্র এই মতবাদের ওপর প্রতিষ্ঠিত যে, বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট (Judicial Magistrate) পুলিশের উপসংহার দ্বারা আবদ্ধ কোনো নিষ্ক্রিয় রেকর্ডকারী কর্তৃপক্ষ নন। বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ কর্তৃক *আবুল হোসেন বনাম রাষ্ট্র* (৫১ ডিএলআর (এডি) ২১১১) মামলায় প্রতিষ্ঠিত এবং পরবর্তী ২০২৬ সালের অনুশীলন রায়ে সমর্থিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৩ ধারার অধীনে একজন তদন্ত কর্মকর্তার মতামত কেবলই পরামর্শমূলক। একজন ম্যাজিস্ট্রেটের পুলিশি চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করার এবং কোনো অপরাধের সরাসরি আমল গ্রহণ করার, বিচারিক অনুসন্ধানের নির্দেশ দেওয়ার, কিংবা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (PBI) বা ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (CID)-এর মতো কোনো বিশেষায়িত স্বাধীন সংস্থার মাধ্যমে অধিকতর তদন্তের আদেশ দেওয়ার পূর্ণ বিচারিক এখতিয়ার রয়েছে।

ধাপ ১ পুলিশের এফআরটি / এফআরএমএফ দাখিল তদন্তকারী কর্মকর্তা কর্তৃক ফৌঃকাঃবিঃ ১৭৩ ধারা অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রতিবেদন দাখিল ধাপ ২ নোটিশ ও নারাজি দাখিল সংবাদদাতাকে নোটিশ প্রদান; আপত্তি ও কারণসহ নারাজি পিটিশন দাখিল ধাপ ৩ ফৌঃকাঃবিঃ ২০০ ধারা অনুযায়ী জবানবন্দি শপথপাতে অভিযোগকারীর জবানবন্দি গ্রহণ; অভিযোগ পিটিশন হিসেবে গণ্য ধাপ ৪ বিচারিক আদেশ ফৌঃকাঃবিঃ ২০২ ধারা বিচারিক অনুসন্ধান অথবা পিবিআই / সিআইডি-র মাধ্যমে অধিকতর তদন্তের নির্দেশ ধাপ ৫ আমল গ্রহণ ও প্রক্রিয়া (ফৌঃকাঃবিঃ ১৯০/২০৪ ধারা) আদালত কর্তৃক আমল গ্রহণ; অভিযুক্তের বিরুদ্ধে সমন / গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

২. ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮-এর ১৭৩, ১৯০, ২০০ এবং ২০২ ধারার সংবিধিবদ্ধ কাঠামো এবং পারস্পরিক আন্তঃক্রিয়া

নারাজি অর্জির (Naraji Petition) সংবিধিবদ্ধ কৌশল অনুধাবন করার জন্য ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮-এর (Code of Criminal Procedure 1898) চারটি প্রধান বিধান, সেইসাথে পুলিশ রেগুলেশনস অব বেঙ্গল (PRB) এবং ক্রিমিনাল রুলস অ্যান্ড অর্ডারস (CRO)-এর সুনির্দিষ্ট বিশ্লেষণ প্রয়োজন।

ক. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৩ ধারা: পুলিশ প্রতিবেদন (The Police Report)

১৭৩ ধারায় বাধ্যতামূলক করা হয়েছে যে, উক্ত কোডের চতুর্দশ অধ্যায়ের (Chapter XIV) অধীন প্রতিটি তদন্ত অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব ছাড়াই সম্পন্ন করতে হবে এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (Officer-in-Charge) আমলগ্রহণে সক্ষম ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রতিবেদন প্রেরণ করবেন। যখন প্রতিবেদনটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন (Final Report True - FRT বা Final Report Mistake of Fact - FRMF) হয়, তখন পুলিশ রেগুলেশনস অব বেঙ্গল (PRB)-এর ২৭২ বিধি এবং ক্রিমিনাল রুলস অ্যান্ড অর্ডারস-এর ৫৭ বিধি অনুযায়ী তথ্য প্রদানকারী/বাদীকেই নোটিশ প্রদান করতে হয়, যাতে পুলিশি চূড়ান্ত উপসংহার সম্পর্কে তাদের অবহিত করা যায় এবং আদালতে হাজির হওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।

খ. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯০ ধারা: অপরাধের আমলগ্রহণ (Cognizance of Offenses)

১৯০(১) ধারা বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটদের (বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটদের) তিনটি ভিন্ন পরিস্থিতিতে যেকোনো অপরাধের আমলগ্রহণ করার ক্ষমতা প্রদান করে:

  • ১৯০(১)(ক) ধারা: এমন অপরাধ গঠন করে এমন তথ্যের অভিযোগ প্রাপ্তির পর।
  • ১৯০(১)(খ) ধারা: এই ধরনের তথ্যের ওপর পুলিশ প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর।
  • ১৯০(১)(গ) ধারা: পুলিশ অফিসার ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তির নিকট থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে, অথবা নিজের জ্ঞানের ভিত্তিতে।

যখন একটি চূড়ান্ত প্রতিবেদনের (Final Report) বিরুদ্ধে নারাজি অর্জি দাখিল করা হয়, তখন তা ফৌজদারি কার্যবিধির ৪(১)(ছ) ধারার অর্থানুযায়ী একটি প্রাইভেট নালিশ বা অভিযোগ (Private Complaint) হিসেবে কার্য সম্পাদন করে। বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে একটি আইনি মোড় বা চৌরাস্তা উপস্থিত হয়: ম্যাজিস্ট্রেট চূড়ান্ত প্রতিবেদনের সাথে দ্বিমত পোষণ করতে পারেন এবং পুলিশ কেস ডকেট বা জব্দতালিকার (CD/Japtai Alam) উপলব্ধ উপাদানের ভিত্তিতে সরাসরি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯০(১)(খ) ধারার অধীন আমলগ্রহণ করতে পারেন, কিংবা নারাজি অর্জিটিকে ১৯০(১)(ক) ধারার অধীন একটি নালিশ হিসেবে গণ্য করতে পারেন।

গ. ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ধারা: অভিযোগকারীর জবানবন্দি গ্রহণ (Examination of the Complainant)

ম্যাজিস্ট্রেট যখন নারাজি অর্জিটিকে ১৯০(১)(ক) ধারার অধীন একটি নতুন নালিশ হিসেবে গণ্য করার সিদ্ধান্ত নেন, তখন তাৎক্ষণিকভাবে ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ধারার procedural mandate বা কার্যপদ্ধতিগত বাধ্যবাধকতা শুরু হয়। ম্যাজিস্ট্রেটকে অবশ্যই শপথের মাধ্যমে অভিযোগকারীকে (এবং উপস্থিত যেকোনো সাক্ষীকে) পরীক্ষা করতে হবে। এই পরীক্ষার সারসংক্ষেপ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং অভিযোগকারী ও ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে। এই জবানবন্দিটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি প্রাথমিক বিচারিক মূল্যায়নের ভিত্তি স্থাপন করে।

ঘ. ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারা: অনুসন্ধান এবং নির্দেশিত অধিকতর তদন্ত (Inquiry and Directed Further Investigation)

ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার অধীন, ম্যাজিস্ট্রেট যদি উপযুক্ত মনে করেন, তবে তিনি আসামির বিরুদ্ধে সমন বা প্রসেস জারি স্থগিত রাখতে পারেন এবং:

<লন>
  • স্বয়ং নিজে একটি সরাসরি বিচারিক অনুসন্ধান (Judicial Inquiry) পরিচালনা করতে পারেন; অথবা
  • তাঁর অধীনস্থ যেকোনো ম্যাজিস্ট্রেটকে অথবা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (PBI) বা ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (CID)-এর মতো কোনো বিশেষায়িত আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে অনুসন্ধান বা তদন্ত করার নির্দেশ দিতে পারেন।
  • আধুনিক বাংলাদেশী বিচারব্যবস্থায় "অধিকতর তদন্ত" (Further Investigation) এবং "পুনঃতদন্ত" (Re-investigation)-এর মধ্যকার পার্থক্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। *চিত্ত রঞ্জন দাস বনাম রাষ্ট্র* (৬৮ ডিএলআর ৩২১) মামলায় হাইকোর্ট বিভাগ স্পষ্ট করেছেন যে, পূর্ববর্তী কার্যক্রম বাতিল করে একটি সম্পূর্ণ পুনঃতদন্তের নির্দেশ দেওয়ার জন্য সতর্ক বিচারিক ভারসাম্যের প্রয়োজন হলেও, ধামাচাপা পড়ে যাওয়া বস্তুগত সত্য উদঘাটনের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার অধীন পিবিআই (PBI) বা সিআইডি (CID)-এর মাধ্যমে পরিপূরক বা "অধিকতর তদন্ত" (Further Investigation) নির্দেশ করা হলো ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের একটি সংবিধিবদ্ধ অধিকার।

    ৩. নারাজি অর্জি খসড়া করার কৌশলগত ভিত্তি (Strategic Grounds for Drafting a Naraji Petition)

    একটি নারাজি অর্জি নিছক আবেগঘন প্রতিবাদ হওয়া উচিত নয়; এতে পুলিশি তদন্তের তথ্যগত ও কার্যপদ্ধতিগত ত্রুটিগুলোকে লক্ষ্য করে কঠোর এবং আইনগতভাবে সুপ্রতিষ্ঠিত আপত্তি উপস্থাপন করতে হবে। যে আইনজীবী নারাজি অর্জির খসড়া তৈরি করছেন, তাকে অবশ্যই পুলিশ কেস ডকেট পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে নিরীক্ষা করতে হবে এবং নিম্নলিখিত কৌশলগত ভিত্তিগুলোর মধ্যে এক বা একাধিক বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে তার অর্জি প্রস্তুত করতে হবে:

    ১. গুরুত্বপূর্ণ চাক্ষুষ সাক্ষীদের গোপন করা এবং তাদের জবানবন্দি গ্রহণ না করা

    তদন্ত কর্মকর্তা (IO) উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এজাহারে তালিকাভুক্ত নামধারী চাক্ষুষ সাক্ষীদের ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারার অধীন জবানবন্দি গ্রহণ করা থেকে বিরত ছিলেন, কিংবা প্রমাণের অনুপস্থিতির একটি মিথ্যা আখ্যান বা বয়ান তৈরি করার জন্য অ-বস্তুগত, স্বার্থান্বেষী বা বাধ্য করা ব্যক্তিদের জবানবন্দি বেছে বেছে রেকর্ড করেছেন।

    ২. বস্তুগত শারীরিক ও ফরেন্সিক প্রমাণ উপেক্ষা করা

    তদন্ত কর্মকর্তা অপরাধস্থলের ভৌত প্রমাণ অবহেলা করেছেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারার অধীন যথাযথ জব্দতালিকা (Alammat) তৈরিতে ব্যর্থ হয়েছেন, পরীক্ষার জন্য ফরেন্সিক নমুনা (যেমন—ডিএনএ, রাসায়নিক বিশ্লেষণ, ব্যালিস্টিক প্রতিবেদন বা ভিসেরা পরীক্ষা) প্রেরণে জেনেশুনে বিলম্ব করেছেন, অথবা কোনো প্রত্যয়িত সরকারি হাসপাতাল কর্তৃক ইস্যুকৃত বস্তুগত চিকিৎসা/ইনজুরি রিপোর্টের সাথে সাংঘর্ষিক প্রতিবেদন তৈরি করেছেন।

    ৩. তদন্ত ছাড়াই আলিবাই (Alibi) বা অন্য কোথাও উপস্থিত থাকার অজুহাত বেআইনিভাবে গ্রহণ করা

    তদন্ত কর্মকর্তা আসামির দ্বারা উত্থাপিত *আলিবাই* (ঘটনার সময় অন্যত্র উপস্থিত থাকার দাবি)-র সাফাই আবেদনটিকে কঠোর যাচাই-বাছাই, ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট বিশ্লেষণ, টাওয়ার লোকেশন যাচাই বা স্বাধীন তৃতীয় পক্ষের সাক্ষীদের জেরা করার মুখোমুখি না করেই অনুচিতভাবে গ্রহণ করেছেন।

    ৪. কার্যপদ্ধতিগত অবৈধতা এবং পিআরবি (PRB)-এর বিধান অমান্য করা

    ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২ ধারার অধীন কেস ডায়েরিগুলোর যথাযথ নথিকরণ সংক্রান্ত পিআরবি রুল ২৫৪, ২৭২ এবং ২৭৩ লঙ্ঘন করা, ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৪ ধারা অনুযায়ী সুরতহাল (Inquest) প্রস্তুত করতে ব্যর্থ হওয়া, অথবা জব্দকৃত আলামতের প্রতিদিনের জিম্মাসূত্র বা চেইন অব কাস্টডিতে ব্যাখ্যাতীত ব্যবধান রাখা।

    ৫. তদন্ত কর্মকর্তার যোগসাজশ এবং দলীয় পক্ষপাত

    তদন্ত কর্মকর্তা এবং আসামির মধ্যে প্রদর্শনযোগ্য পক্ষপাতিত্ব, আর্থিক অসততা বা প্রাতিষ্ঠানিক যোগসাজশ, যা মামলার দ্রুত সমাপ্তি ঘোষণা করা, ঘটনাস্থল (PO) পরিদর্শনে অস্বীকৃতি জানানো, অথবা গুরুত্বপূর্ণ সিসিটিভি ফুটেজ বা কল ডিটেইল রেকর্ড (CDR) গোপন করার মাধ্যমে প্রমাণিত হয়।

    ৪. বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যাওয়ার ধাপে ধাপে পদ্ধতি (Step-by-Step Procedure for Moving the Judicial Magistrate)

    নারাজি অর্জি দাখিল থেকে শুরু করে আমলগ্রহণের আদেশ পর্যন্ত সমগ্র প্রক্রিয়াটি পরিচালনা করার জন্য বাংলাদেশের ম্যাজিস্ট্রেট আদালতগুলোতে কঠোর কার্যপদ্ধতিগত ধাপসমূহ অনুসরণ করতে হয়:

    1. ডকেট মনিটরিং ও নোটিশ প্রাপ্তি: পুলিশ কর্তৃক চূড়ান্ত প্রতিবেদন (FRT/FRMF) দাখিল করার পর, কোর্ট ইন্সপেক্টর বা জিআরও (General Recording Officer) চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (CJM) বা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (CMM)-এর নিকট প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন। আদালত পিআরবি ২৭২ বিধি অনুযায়ী অভিযোগকারীকে হাজির হওয়ার তারিখ নির্ধারণ করে একটি আনুষ্ঠানিক নোটিশ জারি করে।
    2. নারাজি অর্জি দাখিল: নির্ধারিত তারিখে বা তার পূর্বে, অভিযোগকারী একটি হলফনামা (Affidavit-in-Support), মূল এজাহারের অনুলিপি, পুলিশ প্রতিবেদনের অনুলিপি, চিকিৎসা/ফরেন্সিক রেকর্ড এবং পরীক্ষিত হয়নি এমন সাক্ষীদের তালিকা সহ একটি পূর্ণাঙ্গ নারাজি অর্জি দাখিল করেন।
    3. প্রাথমিক শুনানিতে যুক্তি উপস্থাপন: সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী পুলিশ প্রতিবেদনে থাকা প্রাথমিক ত্রুটিগুলো (prima facie gaps) প্রদর্শনপূর্বক অর্জিটি উত্থাপন করেন। আইনজীবী এফআরটি (FRT) খারিজ করার প্রার্থনা জানান এবং ১৯০(১)(খ) ধারার অধীন সরাসরি আমলগ্রহণ করার অথবা নারাজিটিকে ১৯০(১)(ক) ধারার অধীন নালিশ হিসেবে গণ্য করার অনুরোধ জানান।
    4. শপথের ওপর ২০০ ধারার জবানবন্দি: যদি এটিকে নালিশ হিসেবে গণ্য করা হয়, তবে ম্যাজিস্ট্রেট প্রকাশ্য আদালতে অভিযোগকারীকে জবানবন্দি গ্রহণ করেন। অভিযোগকারী এজাহারের বিষয়বস্তু সমর্থন করেন, পুলিশের অসদাচরণ প্রকাশ করেন এবং অভিযোগের সত্যতা যাচাই করেন।
    5. ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার অধীন আদেশ: ম্যাজিস্ট্রেট একটি যুক্তিযুক্ত আদেশ প্রদান করেন—হয় বিচারিক অনুসন্ধান (Judicial Probe) শুরু করেন অথবা একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে (সাধারণত ৩০ থেকে ৬০ দিন) অধিকতর তদন্ত পরিচালনার জন্য কোনো বিশেষায়িত তদন্ত সংস্থাকে—বিশেষ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (PBI)-কে নির্দেশ প্রদান করেন।
    6. অনুসন্ধান প্রতিবেদন দাখিল ও আমলগ্রহণ: বিচারিক অনুসন্ধান প্রতিবেদন বা পিবিআই-এর অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর অপরাধ প্রমাণিত হলে, ম্যাজিস্ট্রেট প্রতিবেদনটি গ্রহণ করেন, মূল এফআরটি (FRT) খারিজ করেন এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি কার্যবিধির ২০৪ ধারার অধীন সমন বা গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

    ৫. সংবিধিবদ্ধ ম্যাট্রিক্স: সময়সীমা, কর্তৃপক্ষ এবং ফি (Statutory Matrix: Timelines, Authorities, and Fees)

    নিম্নলিখিত সংবিধিবদ্ধ সারণীতে ২০২৬ সালে সমগ্র বাংলাদেশের আদালতগুলোতে নারাজি মামলা পরিচালনা সংক্রান্ত প্রশাসনিক, আর্থিক এবং কার্যপদ্ধতিগত প্যারামিটারসমূহ তুলে ধরা হয়েছে:

    পদ্ধতি / বিষয় নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ মূল আইন ও ধারা সরকারি ফি (টাকায়) সময়সীমা
    চূড়ান্ত প্রতিবেদনের নোটিশ পুলিশ / ম্যাজিস্ট্রেট আদালত জিআরও (GRO) পিআরবি রুল ২৭২ / সিআরও রুল ৫৭ প্রযোজ্য নয় (কোর্ট প্রসেস ফি) এফআরটি (FRT) প্রাপ্তির ৭ – ১৫ দিন
    নারাজি অর্জি দাখিল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত (সিজেএম / সিএমএম) ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৩(২) ও ১৯০(১) ধারা কোর্ট ফি: ২০–৫০ টাকা; হলফনামা: ২০০ টাকা নির্ধারিত কোর্টের তারিখে বা তার পূর্বে
    শপথের ওপর অভিযোগকারীর জবানবন্দি বিচারিক / মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ধারা নেই একই দিনে অথবা ৭ দিনের মধ্যে
    পিবিআই / সিআইডি তদন্তের আদেশ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে বিশেষায়িত সংস্থায় ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারা / পিবিআই বিধি ২০১৬ প্রযোজ্য নয় ৩০ – ৬০ দিন (আদেশ অনুযায়ী)

    ◆ সম্পর্কিত প্র্যাকটিস গাইড ও বিশ্লেষণ

      <li style="margin-bottom:12px; line-height:1.5;">
        <a href="/bn/traffic-police-fines-and-paper-checking-in-bangladesh-bn/" style="color:#C5A059; font-weight:600; text-decoration:none; font-size:14px; display:inline-block; transition:color 0.2s;">&bull; ট্রাফিক পুলিশের মামলা ও জরিমানা: চালকের অধিকার, ই-চালান যাচাই ও স্পট হয়রানির সমাধান</a>
      </li>
      
      <li style="margin-bottom:12px; line-height:1.5;">
        <a href="/bn/victim-support-centers-and-occ-rights-in-bangladesh-bn/" style="color:#C5A059; font-weight:600; text-decoration:none; font-size:14px; display:inline-block; transition:color 0.2s;">&bull; ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার ও ওসিসি (OCC): বিনামূল্যে আইনি সহায়তা, চিকিৎসা ও নিরাপত্তা অধিকার</a>
      </li>
      
      <li style="margin-bottom:12px; line-height:1.5;">
        <a href="/bn/consumer-rights-protection-dncrp-complaint-25-percent-fine-bangladesh-bn/" style="color:#C5A059; font-weight:600; text-decoration:none; font-size:14px; display:inline-block; transition:color 0.2s;">&bull; ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে (DNCRP) অভিযোগ দায়ের: জরিমানা আদায় ও অভিযোগকারীর ২৫% পুরস্কার গাইড</a>
      </li>
      
      <li style="margin-bottom:12px; line-height:1.5;">
        <a href="/bn/police-clearance-certificate-in-bangladesh-complete-online-application-bn/" style="color:#C5A059; font-weight:600; text-decoration:none; font-size:14px; display:inline-block; transition:color 0.2s;">&bull; পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট বাংলাদেশ: অনলাইন আবেদন, এসবি ভেরিফিকেশন ও দ্রুত পাওয়ার উপায়</a>
      </li>

    সরকারি কর্তৃপক্ষ, গেজেট ও নিয়ন্ত্রক পোর্টাল

    নিয়ন্ত্রক মূল আইনসমূহ: পুলিশ আইন ১৮৬১, ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮, সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯

    <div style="margin-bottom:12px; padding-bottom:12px; border-bottom:1px solid #1E293B;">
      <a href="https://police.gov.bd/" target="_blank" rel="noopener noreferrer" style="color:#C5A059; font-weight:600; font-size:14px; text-decoration:underline;">Bangladesh Police Citizen Portal &nearr;</a>
      <p style="color:#94A3B8; font-size:12px; margin:4px 0 0 0; line-height:1.4;">Online General Diary (e-GD) & Police Clearance Certificate (PCC) Verification</p>
    </div>
    
    <div style="margin-bottom:12px; padding-bottom:12px; border-bottom:1px solid #1E293B;">
      <a href="https://dncrp.portal.gov.bd/" target="_blank" rel="noopener noreferrer" style="color:#C5A059; font-weight:600; font-size:14px; text-decoration:underline;">Directorate of National Consumer Rights Protection (DNCRP) &nearr;</a>
      <p style="color:#94A3B8; font-size:12px; margin:4px 0 0 0; line-height:1.4;">Consumer Complaints Submission, Administrative Hearings & 25% Fine Reward</p>
    </div>
    
    <div style="margin-bottom:12px; padding-bottom:12px; border-bottom:1px solid #1E293B;">
      <a href="https://epassport.gov.bd/" target="_blank" rel="noopener noreferrer" style="color:#C5A059; font-weight:600; font-size:14px; text-decoration:underline;">Department of Immigration and Passports (DIP) &nearr;</a>
      <p style="color:#94A3B8; font-size:12px; margin:4px 0 0 0; line-height:1.4;">Official e-Passport Application, Fee Schedule & Delivery Status Tracking</p>
    </div>
    
    <div style="margin-bottom:12px; padding-bottom:12px; border-bottom:1px solid #1E293B;">
      <a href="https://bsp.brta.gov.bd/" target="_blank" rel="noopener noreferrer" style="color:#C5A059; font-weight:600; font-size:14px; text-decoration:underline;">Bangladesh Road Transport Authority (BRTA) &nearr;</a>
      <p style="color:#94A3B8; font-size:12px; margin:4px 0 0 0; line-height:1.4;">Smart Driving License, Vehicle Registration & e-Challan Portal</p>
    </div>

    সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQs)

      <div class='faq-item' itemscope itemprop='mainEntity' itemtype='https://schema.org/Question' style='margin-bottom:20px;'>
        <h3 class='faq-question' itemprop='name' style='color:#FFFFFF; font-size:16px; font-weight:bold; margin-bottom:8px;'>বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনের (FRT) বিরুদ্ধে নারাজি পিটিশন কী?</h3>
        <div class='faq-answer' itemscope itemprop='acceptedAnswer' itemtype='https://schema.org/Answer' style='color:#D1D5DB; font-size:14px; line-height:1.6;'>
          <p itemprop='text'>নারাজি (আপত্তি) পিটিশন হলো ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী সংক্ষুব্ধ বাদী বা অভিযোগকারী কর্তৃক বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দাখিলকৃত একটি আনুষ্ঠানিক আইনি আবেদন। পুলিশ যখন পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাব বা তথ্যের ভুলের কারণে অভিযুক্তকে অব্যাহতির সুপারিশ করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন (FRT) দাখিল করে, তখন তার বিরুদ্ধে এই নারাজি আবেদন করা হয়।</p>
        </div>
      </div>
    
      <div class='faq-item' itemscope itemprop='mainEntity' itemtype='https://schema.org/Question' style='margin-bottom:20px;'>
        <h3 class='faq-question' itemprop='name' style='color:#FFFFFF; font-size:16px; font-weight:bold; margin-bottom:8px;'>ফৌজদারি কার্যবিধি (CrPC) অনুযায়ী নারাজি পিটিশন দাখিলের আইনি ভিত্তিগুলো কী কী?</h3>
        <div class='faq-answer' itemscope itemprop='acceptedAnswer' itemtype='https://schema.org/Answer' style='color:#D1D5DB; font-size:14px; line-height:1.6;'>
          <p itemprop='text'>মূল আইনি ভিত্তিগুলোর মধ্যে রয়েছে—অসম্পূর্ণ পুলিশ তদন্ত, তদন্তকারী কর্মকর্তার (IO) গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে ব্যর্থ হওয়া, বস্তুগত প্রমাণ বা মেডিকেল রিপোর্ট অবমূল্যায়ন করা, পুলিশ ও অভিযুক্তের মধ্যে গোপন সমঝোতা, অথবা দায়সারা তদন্ত পদ্ধতি যা ফৌজদারি বিচারব্যবস্থায় মারাত্মক অবিচারের জন্ম দেয়।</p>
        </div>
      </div>
    
      <div class='faq-item' itemscope itemprop='mainEntity' itemtype='https://schema.org/Question' style='margin-bottom:20px;'>
        <h3 class='faq-question' itemprop='name' style='color:#FFFFFF; font-size:16px; font-weight:bold; margin-bottom:8px;'>ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নারাজি পিটিশন দাখিলের নির্ধারিত কোনো সময়সীমা আছে কি?</h3>
        <div class='faq-answer' itemscope itemprop='acceptedAnswer' itemtype='https://schema.org/Answer' style='color:#D1D5DB; font-size:14px; line-height:1.6;'>
          <p itemprop='text'>যদিও ফৌজদারি কার্যবিধিতে নারাজি দাখিলের জন্য কোনো কঠোর সময়সীমা নির্দিষ্ট করা নেই, তবে চূড়ান্ত প্রতিবেদনের নোটিশ পাওয়ার পর আদালত পক্ষগণের নিকট থেকে দ্রুত পদক্ষেপ প্রত্যাশা করে। সাধারণ நடைম অনুযায়ী, চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রাপ্তির সাথে সাথে কিংবা ১৫ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে এই আবেদন দাখিল করা বাঞ্ছনীয় এবং প্রয়োজনে বিলম্ব মওকুফের (condonation of delay) আবেদন সংযুক্ত করা হয়।</p>
        </div>
      </div>
    
      <div class='faq-item' itemscope itemprop='mainEntity' itemtype='https://schema.org/Question' style='margin-bottom:20px;'>
        <h3 class='faq-question' itemprop='name' style='color:#FFFFFF; font-size:16px; font-weight:bold; margin-bottom:8px;'>নারাজি পিটিশন শুনানির পর একজন ম্যাজিস্ট্রেট কী ধরনের আদেশ বা পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেন?</h3>
        <div class='faq-answer' itemscope itemprop='acceptedAnswer' itemtype='https://schema.org/Answer' style='color:#D1D5DB; font-size:14px; line-height:1.6;'>
          <p itemprop='text'>নারাজি পিটিশন শুনানির পর বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট চূড়ান্ত প্রতিবেদন (FRT) নামঞ্জুর করতে পারেন এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯০(১)(খ) বা (গ) ধারা অনুযায়ী সরাসরি অপরাধ আমলে (cognizance) নিতে পারেন, সিআইডি বা পিবিআই-এর মতো বিশেষায়িত কোনো সংস্থাকে দিয়ে পুনরায় তদন্তের (re-investigation) নির্দেশ দিতে পারেন, অথবা নারাজি পিটিশন খারিজ করে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করতে পারেন।</p>
        </div>
      </div>
    
      <div class='faq-item' itemscope itemprop='mainEntity' itemtype='https://schema.org/Question' style='margin-bottom:20px;'>
        <h3 class='faq-question' itemprop='name' style='color:#FFFFFF; font-size:16px; font-weight:bold; margin-bottom:8px;'>মূল এজাহারের (FIR) বাদী ছাড়াও কি অন্য কেউ নারাজি পিটিশন দাখিল করতে পারেন?</h3>
        <div class='faq-answer' itemscope itemprop='acceptedAnswer' itemtype='https://schema.org/Answer' style='color:#D1D5DB; font-size:14px; line-height:1.6;'>
          <p itemprop='text'>সাধারণত মূল বাদী বা সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত ভুক্তভোগীরই নারাজি পিটিশন দাখিলের প্রাথমিক আইনি এখতিয়ার বা লোকাস স্ট্যান্ডি (locus standi) থাকে। তবে অপরাধের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ বা সংক্ষুব্ধ সাক্ষীরাও আদালতে আবেদন করতে পারেন, শর্ত থাকে যে তারা ম্যাজিস্ট্রেটের সন্তুষ্টি সাপেক্ষে পর্যাপ্ত আইনি স্বার্থ এবং লোকাস স্ট্যান্ডি প্রমাণ করতে সক্ষম হন।</p>
        </div>
      </div>
    
      <div class='faq-item' itemscope itemprop='mainEntity' itemtype='https://schema.org/Question' style='margin-bottom:20px;'>
        <h3 class='faq-question' itemprop='name' style='color:#FFFFFF; font-size:16px; font-weight:bold; margin-bottom:8px;'>ম্যাজিস্ট্রেট নারাজি পিটিশন খারিজ করলে পরবর্তী আইনি প্রতিকার কী?</h3>
        <div class='faq-answer' itemscope itemprop='acceptedAnswer' itemtype='https://schema.org/Answer' style='color:#D1D5DB; font-size:14px; line-height:1.6;'>
          <p itemprop='text'>ম্যাজিস্ট্রেট যদি নারাজি পিটিশন খারিজ করে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করেন, তবে সংক্ষুব্ধ পক্ষ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ ধারa Read With ৪৩৯ ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে একটি ক্রিমিনাল রিভিশন (CRREV) আবেদন দায়ের করে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আইনি চ্যালেঞ্জ করতে পারে।</p>
        </div>
      </div>
    </div>
    ব্যক্তিগত আইনি সহায়তা

    আপনার পরিস্থিতি অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট আইনি সহায়তা প্রয়োজন?

    আমাদের সিনিয়র আইনজীবী ও রেগুলেটরি বিশেষজ্ঞদের সাথে পরামর্শ করে আপনার ঝুঁকি নিরূপণ ও সমাধান নিশ্চিত করুন।

    রক্ষণাবেক্ষণ লুপ

    এই গাইডে সমস্যা দেখেছেন?

    ভুল উদ্ধৃতি, ভাঙা লিংক, অনুবাদ বা বর্তমানতার সমস্যা জানাতে রেকর্ড আইডিসহ সম্পাদকীয় টিমকে জানান। এটি স্বয়ংক্রিয় আইনি আপডেটের নিশ্চয়তা নয়।